মেট্রোরেলের নিরাপত্তায় গঠিত হবে পুলিশের আলাদা ইউনিট

প্রধান খবর বাংলাদেশ

মেট্রোরেলের নিরাপত্তার জন্য বিশেষায়িত আলাদা পুলিশ ইউনিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে মেট্রোরেল প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিষয়ে এক পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সময় বেশি নেই, এখনই এ নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে। মেট্রোরেলের নিরাপত্তার জন্য বিশেষায়িত আলাদা পুলিশ ইউনিট গঠন করতে হবে। সারা বিশ্বে মেট্রোরেলের জন্য আলাদা নিরাপত্তা ইউনিট থাকার কথা।

এ সময় মেট্রোরেলের জন্য আলাদা পুলিশ ইউনিট গঠনের কাজ এখন থেকেই শুরু করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভায় উপস্থিত জাতীয় নিরাপত্তা সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আছাদুজ্জামান মিয়াকে মেট্রোরেল পুলিশ ইউনিট গঠনের বিষয়টি দেখতে বলেন।

সভায় মেট্রোরেলের অগ্রগতি বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এমএএন সিদ্দিক।

সভায় জানানো হয়, মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী পুরোদমে এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে এমআরটি (ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট) লাইন-৬ এর ৩০ দশমিক ৫ শতাংশ কাজের অগ্রগতি হয়েছে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে মেট্রোরেল বাণিজ্যিক অপারেশনে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী মেট্রোরেলের প্রতিটি বিষয় মনোযোগ সহকারে প্রত্যক্ষ করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। খুঁটিনাটি বিষয়গুলোতেও তিনি প্রয়োজনীয় সমাধান ও নির্দেশনা দেন।

সভায় অন্যদের মধ্যে সংসদ সদস্য শাহজাহান খান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান, সড়ক পরিবহন ও হাইওয়ে বিভাগের সচিব ও ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আখতার হোসেন ভূইয়া, জাতীয় নিরাপত্তা সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে জাইকার প্রধান প্রতিনিধি হিতোশি হিরাতার নেতৃত্বে জাইকার একটি প্রতিনিধি দল সভায় উপস্থিত ছিলেন। তারাও বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।